Aminur Islam BD
এই website পেইজটির মাধ্যমে গ্রামীণ দৃশ্য মনোমুগ্ধকর সংস্কৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করছি, ভালো লাগলে ফলো করে পাশে থাকবেন। এই website পেজের মেম্বারদের কে অনুরোধ করা হলো সবাইকে Share করবেন, কারণ এই website পেজের। ফলোয়ার কম আর এই website পেজটা আপনাদেরই। Today's Best Photo News 📸
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় অবস্থা
তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় অবস্থা
আদম (আঃ)-এর সময়ে ঈমানের সাথে শিরক ও কুফরের মুকাবিলা ছিল না। তখন সবাই তওহীদের অনুসারী একই উম্মতভুক্ত ছিল (বাক্বারাহ ২/২১৩)। তাঁর শরী‘আতের অধিকাংশ বিধানই ছিল পৃথিবী আবাদকরণ ও মানবীয় প্রয়োজনাদির সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু কালের বিবর্তনে মানুষের মধ্য শিরকের অনুপ্রবেশ ঘটে। নূহের কওম ওয়াদ, সুওয়া‘, ইয়াগূছ, ইয়াঊক্ব ও নাস্র প্রমুখ মৃত নেককার লোকদের অসীলায় আখেরাতে মুক্তি পাবার আশায় তাদের পূজা শুরু করে। এই পূজা তাদের কবরেও হ’তে পারে, কিংবা তাদের মূর্তি বানিয়েও হ’তে পারে। মুহাম্মাদ ইবনু ক্বায়েস বলেন, আদম ও নূহ (আঃ)-এর মধ্যবর্তী সময়কালের এই পাঁচজন ব্যক্তি নেককার ও সৎকর্মশীল বান্দা হিসাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তাঁদের মৃত্যুর পর ভক্ত অনুসারীগণকে শয়তান এই বলে প্ররোচনা দেয় যে, এইসব নেককার মানুষের মূর্তি সামনে থাকলে তাদের দেখে আল্লাহর প্রতি ইবাদতে অধিক আগ্রহ সৃষ্টি হবে। ফলে তারা তাদের মূর্তি বানায়। অতঃপর উক্ত লোকদের মৃত্যুর পরে তাদের পরবর্তীগণ শয়তানের ধোঁকায় পড়ে ঐ মূর্তিগুলিকেই সরাসরি উপাস্য হিসাবে পূজা শুরু করে দেয়। তারা এইসব মূর্তির অসীলায় বৃষ্টি প্রার্থনা করত’।[1] আর এভাবেই পৃথিবীতে প্রথম মূর্তিপূজার শিরকের সূচনা হয়।
ইমাম বুখারী (রহঃ) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন যে, এই লোকগুলি হযরত নূহ (আঃ)-এর যুগের নেককার ব্যক্তি ছিলেন। তাদের মৃত্যুর পর শয়তান তাদের অনুসারীদের এই মর্মে ধোঁকা দিল যে, এঁদের বসার স্থানগুলিতে এক একটি মূর্তি বানাও ও তাদের নামে নামকরণ কর। লোকেরা তাই করল।
এই মূর্তিগুলি পরবর্তীকালে আরবদের মধ্যেও চালু ছিল। ‘ওয়াদ’ ছিল বনু কালবের জন্য দূমাতুল জান্দালে, সুওয়া‘ ছিল বনু হোযায়েলের জন্য, ইয়াগূছ ছিল বনু গুত্বায়েফ-এর জন্য জুরুফ নামক স্থানে, ইয়া‘ঊক্ব ছিল বনু হামদানের জন্য এবং নাস্র ছিল হিমইয়ার গোত্রের বনু যি-কালা এর জন্য’।[2]
ইবনু আবী হাতেম-এর বর্ণনায় এসেছে যে, ‘ওয়াদ’ ছিল এদের মধ্যে প্রথম এবং সর্বাধিক নেককার ব্যক্তি। তিনি মারা গেলে লোকেরা তার প্রতি ভক্তিতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। শয়তান এই সুযোগ গ্রহণ করে এবং লোকদেরকে তার মূর্তি বানাতে প্ররোচনা দেয়। ফলে ওয়াদ-এর মূর্তিই হল পৃথিবীর সর্বপ্রথম মূর্তি, আল্লাহকে বাদ দিয়ে যার পূজা শুরু হয়’।[তাফসীর ইবনে কাছীর, সূরা নূহ]
অতএব পৃথিবীর প্রাচীনতম শিরক হল নেককার মানুষের কবর অথবা তাদের মূর্তিপূজা। যা আজও প্রায় সকল ধর্মীয় সমাজে চালু আছে এবং বর্তমানে যা মুসলিম সমাজে স্থানপূজা, কবর পূজা, ছবি-প্রতিকৃতি, মিনার ও ভাষ্কর্য পূজায় রূপ নিয়েছে। উক্ত পাঁচটি মূর্তির মাহাত্ম্য ও তাদের প্রতি ভক্তি লোকদের হৃদয়ে এমনভাবে প্রোথিত হয়েছিল যে, তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এবং পারস্পরিক চুক্তি সম্পাদনকালে তাদের নাম উল্লেখ করত। এতদ্ব্যতীত তারা নানাবিধ সামাজিক অনাচারে ডুবে গিয়েছিল। সম্প্রদায়ের এইরূপ পতন দশায় আল্লাহ তাদের হেদায়াতের জন্য নূহ (আঃ)-কে রাসূল হিসাবে প্রেরণ করেন (আ‘রাফ ৭/৬১)।
[1]. ইবনু কাছীর, সূরা নূহ। বুখারী মওকুফ সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে এটি বর্ণনা করেন ‘তাফসীর’ অধ্যায় হা/৪৯২০।
[2]. বুখারী ‘তাফসীর’ অধ্যায় হা/৪৯২০; তাফসীর ইবনে কাছীর, সূরা নূহ।
গল্প: স্বপ্ন পূরণের এক ছেলে
গল্প: স্বপ্ন পূরণের এক ছেলে
একটি ছোট গ্রামে রাহিম নামে এক ছেলে বাস করতো। তার পরিবার খুবই সাধারণ ছিল। বাবা কৃষক, মা গৃহিণী। রাহিমের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ছিল—সে বড় হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াবে এবং পরিবারকে সুখী করবে।
রাহিম প্রতিদিন স্কুলে যেত এবং পড়াশোনার পাশাপাশি নতুন কিছু শিখতে চেষ্টা করতো। কিন্তু তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় তার অনেক স্বপ্নই থেমে যাচ্ছিল।
একদিন সে ইন্টারনেট ব্যবহার করে “অনলাইন ইনকাম” সম্পর্কে জানতে পারে। সে শিখে নেয় কিভাবে কম্পিউটার দিয়ে লেখা লিখে আয় করা যায়। প্রথমে সে খুব কষ্ট করে, কিন্তু ধীরে ধীরে সে লেখালেখিতে দক্ষ হয়ে ওঠে।
কয়েক মাস পর রাহিম ছোট ছোট কাজ পেতে শুরু করে। সে ব্লগ লিখে, পোস্ট লিখে টাকা আয় করতে থাকে। তার প্রথম ইনকাম ছিল মাত্র ৫০০ টাকা, কিন্তু সেটাই তার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন ছিল।
আজ রাহিম নিজের পড়াশোনার খরচ নিজেই চালায় এবং তার পরিবারকে সাহায্য করছে। সে এখনো শেখা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বড় স্বপ্ন দেখছে।
শনিবার, ২ মে, ২০২৬
-
তেঘরিয়া সাহেদ আলী হাইস্কুল এন্ড কলেজ মাঠ তেঘরিয়া বাজার,, মাদারগঞ্জ,, জামালপুর।
-
৬৪৮০. সহিহ বুখারী শরীফ তাওহীদ হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমাদের পূর্বের উম্মাতের এক লোক ছিল, য...


