শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫

হোনায়েন যুদ্ধের গুরুত্ব

 

হোনায়েন যুদ্ধের গুরুত্ব

১. এই যুদ্ধে বিজয়ের ফলে আরব বেদুঈনদের বড় ধরনের কোন বিদ্রোহের সম্ভাবনা তিরোহিত হয়ে যায়।
২. নও মুসলিমদের মনে ইসলামের অপরাজেয় শক্তি সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মে। তাদের মধ্যকার দুষ্টুরা কখনো আর ইসলামের বিরোধিতা করার চিন্তা করেনি।
৩. এই যুদ্ধে বিজয়ের ফলে মুসলিম শক্তি আরব উপদ্বীপে অপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিরূপে আবির্ভূত হয়। তৎকালীন বিশ্বশক্তি রোমকগণ ব্যতীত তখন মুসলিম শক্তির কোন প্রতিদ্বন্দ্বী রইল না।


গাযওয়া হোনায়েন ও ত্বায়েফ থেকে প্রাপ্ত বিধানসমূহ :
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
(১) মুশরিকদের নিকট থেকে যুদ্ধাস্ত্র ধার নেওয়া সিদ্ধ। যেমন রাসূল (সাঃ) সাফওয়ান বিন উমাইয়ার কাছ থেকে ১০০ বর্ম ধার নিয়েছিলেন।

(২) আওত্বাস যুদ্ধের দিন বিবাহিতা বন্দীনীদের বিধান সম্পর্কে সূরা নিসা ২৪ আয়াত নাযিল হয়। যাতে বলা হয় যে, তাদের ইদ্দত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সাথে সহবাস নিষিদ্ধ। আর ইদ্দত শেষ হয় গর্ভবতী নারী সন্তান প্রসব করলে এবং অন্য নারীদের ঋতু এলে।

(৩) গায়ের মাহরাম হিজড়া নারীদের গৃহে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। যা ইতিপূর্বে সিদ্ধ ছিল। কিন্তু ত্বায়েফ দুর্গ অবরোধের প্রাক্কালে রাসূল (সাঃ) জনৈক হিজড়া পুরুষ কর্তৃক বাদিয়াহ বিনতে গায়লান সাক্বাফীর সৌন্দর্য বর্ণনা শুনেন। ফলে তিনি তাদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

(৪) নারী-শিশু-বৃদ্ধ এবং শ্রমিকদের মধ্যে যারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তাদেরকে হত্যা করতে নিষেধাজ্ঞা জারী হয়।

(৫) দারুল হারবে দন্ডবিধি কার্যকর করা সিদ্ধ। যা হোনায়েনের দিন জনৈক মদ্যপায়ীর বিরুদ্ধে রাসূল (সাঃ) করেছিলেন (আবুদাঊদ হা/৪৪৮৭)।

(৬) ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য কিংবা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অনিষ্টকারিতা প্রতিরোধের জন্য অথবা মুসলমানদের আশু কল্যাণ লাভের স্বার্থে নওমুসলিম বা অন্যদের প্রতি গণীমত বা যাকাতের মাল প্রদান করা সিদ্ধ।

(৭) জি‘ইর্রানাহ থেকে ওমরাহ করার বিধান চালু হয়’ (সীরাহ সহীহাহ ২/৫২০-২১)।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

RFL Jim & Jolly Smile Baby Walker Cyan Blue & White 939294

 🔥 আজকের Best Deal! এই wireless earbuds এখন special discount এ 🛒 RFL Jim & Jolly Smile Baby Walker Cyan Blue & White 939294 ✅ ভালো...